৩০ মে ১৯৯২
কাসরে আরেফা, বাহাউদ্দীন নকশবন্দী (রহ.)-এর মাজার, বুখারা, উজবেকিস্তান।
https://maps.app.goo.gl/C3e542GjSbcQtWJW8
https://en.wikipedia.org/wiki/Baha`_al-Din_Naqshband
মাহবুবুল উলামা ওয়াস সুলাহা শায়খ জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী (দামাত বারাকাতুহ) রাশিয়া সফরের এক পর্যায়ে কাসরে আরেফায় এসে বাহাউদ্দিন নকশবন্দী বুখারী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। বাহাউদ্দিন নকশবন্দী বুখারী (রহ.) ছিলেন নকশবন্দী তরিকার প্রতিষ্ঠাতা, এটা তাঁরই মাজার।
সেখানে মা-ওয়ারাউন-নহর থেকে ২১ সদস্যের একদল সুফী হজরতজীর সাথে দেখা করতে আসেন। তাদের চেহারা ছিলো অত্যধিক নূরানী, সুন্নতের অনুসারী এবং আচার ব্যবহারের মধ্যে গাম্ভীর্য্য ও ব্যক্তিত্ব ছিলো সুস্পষ্ট।
সুফীদের এই মোবারাক জামাত পূর্বে একজন শায়েখের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন, যিনি কিছুদিন আগে ইন্তেকাল করেন। তারপর তাঁরা বেশ কিছুদিন ইস্তেখারা করে শাহ নকশবন্দী বুখারী (রহ.)-এর মাজারে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজন পূরণের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করেন।
অবশেষে এখানে কয়েকজন সঙ্গীসহ হজরতজীকে মুরাকাবা করতে দেখেন। তখনই তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন যে, উনার কাছেই দিকনির্দেশনা নিয়ে আধ্যাত্মিকতার পথে পরিচালিত হবেন। তাঁরা সকলেই তখন হযরতজীর কাছে বাইয়াত হন।
ঘটনাটি "লাহোর থেকে বোখারা" বই এ উল্লেখ করার সময় হজরতজী একটি উক্তি করেন, যেটা সত্যিই বিস্ময়কর। তিনি বলেন যে, এমনও হতে পারে সুফিদের এই জামাতের মধ্য হতে কোনো একজনের উসিলায় কিয়ামতের দিন নাজাত পাওয়া যেতে পারে।
এই উক্তির মাধ্যমে হজরতজীর বিনয় এবং গভীর প্রজ্ঞা স্পষ্ট হয়ে উঠে। এরপর সুফিদের জামাত আনুষঙ্গিক বিষয় আলোচনা করে অশ্রুসজল নেত্রে বিদায় গ্রহণ করেন।
ছবি: কাসরে আরেফা